Sunday, August 7, 2016

নিজের হৃদপিন্ডকে ব্যাগে নিয়ে ঘুরে বেড়ায় যুবক

খবরের শিরোনামটি পড়ে অনেকে ভাবছেন এটাও কি সম্ভাব ।কিন্তু বাস্তবে এমনই এক অকল্পনীয় ঘটনার খবর দিয়েছে mail online newspaper.ঘটনাটি হল  ,অ্যান্ড্রু জোন্স নামে ২৬ বছর বয়সী এক যুবক কার্ডিওমায়োপ্যাথি রোগাক্রান্ত  হয়েছিলেন। ডাক্তাররা তাকে নতুন একটা হার্ট প্রতিস্থাপন করতে বলেছিলেন।কিন্তু প্রতিস্থাপনযোগ্য হার্ট খুজে না পাওয়ায়  ডাক্তাররা তার শরীরে একটি পেস মেকার ও একটি কৃতিম হার্ট লাগিয়ে  দিলেন। এই  হার্টটি একটা 'ব্যাকপ্যাক' ব্যাগের  মধ্যে রাখা।আর ব্যাগটা পিঠে নিয়ে অ্যান্ডু সব জায়গায় ঘোরাফিরা করে।

কৃত্রিম হার্টটি ব্যবহার করতে শুরু করার পর থেকেই অ্যন্ড্রুর শরীরের অবস্থা একটু একটু করে ভাল হতে শুরু করে। বর্তমানে তিনি অনেকটাই সুস্থ। এই কৃত্রিম হার্টে দু'টি নল রয়েছে। এর মাধ্যমেই তাঁর শরীরে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়ে থাকে।

Tuesday, August 2, 2016

একজন মানুষ, একই সময়ে ঘুমাতে পারবে দুই দেশে!

খবরের শিরোনামটি শুনে হয়ত  অনেকেই অবাক হয়েছেন কিন্তু বাস্তবে খবরটি সত্য।ফ্রান্সও সুইজারল্যান্ডের সীমান্তের উপর একটি আবাসিক  হোটেল আছে। হোটেলটির নাম হোটেল আরবেজে।হোটেলটি ঠিক ফরাসি ও সুইস সীমান্তের উপরেই তৈরী করা হয়েছে।হোটেলটির অর্ধেক অংশ পড়েছে ফ্রান্সে এবং বাকি অর্ধেক অংশ পড়েছে সুইজারল্যান্ডের সীমান্তে।আলপাইন পর্বত এলাকার ওই সরাইখানার অবস্থান ফরাসি-সুইস সীমান্তের লা কুর শহরে। সেখানে দুজনের থাকার একটি কক্ষ ভাড়া নিতে খরচ পড়ে ১০৭ মার্কিন ডলার।সবচেয়ে মজার বিষয় হল হোটেলের রুমগুলিতে বেড গুলি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যে একজন মানুষ বিছানায় শুয়ে থাকলে তার পায়ের অংশ থাকবে একদেশে এবং মাথার অংশ থাকবে অন্য দেশে।হোটেলটির হানিমুন সুইটটা দুই দেশের মাঝখানে  ভাগ করে বানানো হয়েছেএ হোটেলে একটি অতিথিকক্ষ আছে, যা সম্পূর্ণ সুইজারল্যান্ডে হলেও বাথরুমটা ফ্রান্সে।।এ ছাড়া কিছু রুম আছে যা পুরোপুরি দুই দেশে।১৮৬০-এর দশকের শুরুতে এটির যাত্রা শুরু। দুই বছর পর আলপাইন এলাকার সীমানা পুননির্ধারণের জন্য ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড একটি চুক্তি সম্পাদন করে। কিন্তু চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার আগেই স্থানীয় ব্যবসায়ী এম পন্থুস  এমন জায়গায় একটি দোকান বসিয়ে দেন, যা নতুন সীমান্তের ঠিক মাঝ বরাবর পড়ে যায়। পন্থুস আন্তসীমান্ত বাণিজ্যের সম্ভাবনার ইঙ্গিত পেয়েছিলেন। এটি ১৯২১ সালে কিনে নেন স্থানীয় আরেক ব্যবসায়ী জুল-জ্যঁ আরবেজ। তারপর নিজ নামে হোটেল ব্যবসা খুলে বসেন। 


Sunday, July 31, 2016

এশিয়ার গর্ব !বিশ্বের সেরা বিমানবন্দর সিঙ্গাপুরে


গত বছর ২০১৫ জুন থেকে এ বছর ২০১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশ্বের প্রায় ১কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ এবং ৫৫০টি বিমানবন্দরের উপর পরিচালিত স্কাইট্রেক্সের সাম্প্রতিক এক জরিপে বিশ্বের সেরা বিমানবন্দর হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দর।
উক্ত জরিপে ২য় অবস্থানে আছে দক্ষিন কোরিয়ার একটি বিমানবন্দর। মজার ব্যাপার হল প্রথম  ১০টির মধ্যে ৭টি এশিয়ার।
বিমানবন্দরে অবতরন ও বহির্গমনে চেকইন সুবিধা, শপিং সুবিধা, নিরাপত্তা, পাসপোর্ট কনট্রোল, ট্রানজিট সুবিধা ইত্যাদি আরও কয়েকটি বিষয়কে ভিত্তি করে পরিচালিত উক্ত জরিপে শীর্ষ ৫০টি বিমানবন্দরের তালিকা নিম্নরূপ (ডানপার্শের সংখ্যা দিয়ে গত বছরের রেঙ্কিং দেখানো হয়েছে)-
1 Siচাngapore Changi 1
2 Incheon Intl Airport 2
3 Munich Airport 3
4 Tokyo Intl Haneda 5
5 Hong Kong Intl Airport 4
6 Centrair Airport 7
7 Zurich Airport 6
8 London Heathrow 8
9 Kansai Intl Airport 12
10 Doha Hamad Airport 22
11 Narita Intl Airport at 14
12 Frankfurt Airport 13
13 Amsterdam Schiphol 9
14 Vancouver Airport 11
15 Helsinki Airport 18
16 Beijing Capital Airport 10
17 Brisbane 20
18 Copenhagen Airport 16
19 Cologne / Bonn Airport 23
20 Taiwan Taoyuan Airport 17
21 Auckland Airport 15
22 Cape Town Airport 26
23 Sydney Airport 21
24 Kuala Lumpur Airport 19
25 Melbourne Airport 25
26 Dubai Airport 39
27 Barcelona Airport 37
28 Denver Airport 33
29 Vienna Airport 38
30 Johannesburg Intl 24
31 Madrid-Barajas Airport at 27
32 Cincinnati / Kentucky 30
33 Paris CDG Airport 48
34 Shanghai Hongqiao 31
35 Durban Airport 28
36 Bangkok Suvarnabhumi 47
37 San Francisco Airport at 36
38 Abu Dhabi Airport 29
39 Dusseldorf Airport 34
40 Hamburg Airport 45
41 London City Airport 32
42 Gimpo Intl Airport 41
43 Hartsfield-Jackson 44
44 Toronto Pearson 43
45 Gatwick Airport 40
46 Bogota El Dorado 94
47 Bahrain Airport 46
48 Xi'an Airport 74
49 Lima Airport 35
50 Chengdu Airport 50

Monday, July 18, 2016

বৃদ্ধাশ্রম থেকে ছেলের কাছে এক হতভাগা বাবার চিঠি। তোলপাড় ফেইসবুক দুনিয়া!

তুমি কেমন আছ একথা জিজ্ঞাসা করা সম্পূর্ণ নিরর্থক মনে করছি। তুমি ভাবছ হয়ত তোমার বাবা আগের মত তোমায় ভালোবাসে না। যদি এটা ভেবে থাক তবে তোমার সেই ছোট্টবেলার মত আরেকটি ভুল করলে। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি তুমি পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভালো আছ কেননা আমরা দোয়া যার সাথে সর্বদা জড়িয়ে থাকে সে খারাপ থাকতে পারে এটা আমি বিশ্বাস করিনা। আমরা বউমা এবং প্রিয় দাদুভাইয়েরাও ভালো আছে বলে বিশ্বাস। আমি কোন মেয়ের বাবা হতে না পারলেও তোমাকে বিবাহ দিয়ে যে লক্ষ্মী বউমাকে পেয়েছিলাম তাকে কোনভাবেই কষ্ট দিবে না। লক্ষ্মী মেয়েটি আমার মেয়ের শুণ্যস্থান পুর্ণ করে দিয়েছে! আমার নাতী-নাতনীদের অনেক অনেক আদর দিও এবং তাদের কোন চাওয়া অপূর্ণ রাখবে না। তোমার হতভাগ্য-হতদরিদ্র জন্মদাতা তোমার চাহিদা তো দূরের কথা মৌলিক চাহিদাও সম্পূর্ণভাবে পূর্ণ করতে পারেনি কিন্তু তুমি তো গরীব নও। সুতরাং ছেলে-মেয়ের কোন শখ যেন অপূর্ণ না থাকে। তোমাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। পাশের রুমের গণি মিয়া আমার সূখ দেখে ঈর্ষা করে কেননা তুমি প্রতি বছর দু’ইবার আমার কাছে ছুটে আস। তোমার ব্যস্ততা রেখে তোমাকে আসতে বারবার নিষেধ করি তারপরও তুমি কেন আস তা আমি বুঝতে পারি না। এটা ভেবোনা যে, তুমি না আসলে আমি তোমায় ভুলে যাব কিংবা কম দোয়া করবো বরং তোমাদের প্রতি দোয়ার পরিমাণ দিন দিন বাড়তেই থাকবে। কেননা দিন দিন যেভাবে অক্ষম হয়ে যাচ্ছি তাতে আমার পৃথিবীটা সংকুচিত হতে হতে আমার এক চোখ ভাঙা চশমাটির মত হয়ে দাঁড়িয়েছে। আফসুস বেচারা গণি মিঞার জন্য! ওর সন্তানগুলো ওকে এখানে রেখে যাওয়ার পর একবারও খোঁজ নেয়নি; শুধু টাকা পাঠানো ছাড়া।প্রিয় পুত্রধন! জীবন সায়াহ্নে এসে বারবার অনুশোচনা হচ্ছে। মনে হচ্ছে, কোথাও যেন আমি চরম ভুল করেছি। তোমাকে লালন-পালন করতে গিয়ে কোথায় যেন আমি আমার দায়িত্ব ঠিকমত পালন করতে পারিনি। তোমার মা আর আমি তোমাকে বাইরে রেখে জীবনের কোন পরিকল্পনা সাজাই নি অথচ আজ যেন নিজেকে খুব অসহায় মনে হচ্ছে। তোমার কাছে হয়ত এটাই আমার শেষ চিঠি তাই কিছু কথা বলে যাওয়া আবশ্যক। এত তাড়াতাড়ি মরে যাবো সেটা মনে হচ্ছে না কেননা আমি চাইলেই তো আর মৃত্যু আমাকে ধরা দেবে না কিন্তু লিখতে বসলে চোখ যেভাবে ঝাপসা হয়ে আসে, হাত যেভাবে কাঁপতে শুরু করে কিংবা মস্তিষ্ক যেভাবে আমার বিরুদ্ধাচারণ করে তাতে তোমাকে আর লিখতে পারবো বলে মনে হয়না। তাই জীবনের শেষ কথাগুলো আজকেই বলে দিব। ভেবোনা, আমি তোমাকে কৈফিয়তের কাঠগোড়ায় দাঁড় করাবো। মরন সমুদ্রের বেলাভূমিতে দাঁড়িয়ে মনে হচ্ছে, সন্তান হিসেব তুমি ‍সুসন্তানের সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করলেও আমি পিতা হিসেবে মোটেও সফল নই। বৃদ্ধাশ্র্রম নিয়ে সমাজে বহু ধরণের খারাপ কথা প্রচলিত থাকলেও আমি সেটা মনে করিনা। তুমি আমাকে জোড় করে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাও নি বরং আমিই তোমার চোখের জলের বিরুদ্ধাচারণ করে এখানে আশ্রয় নিয়েছি। আব্বু, তোমার হয়ত মনে নাই কিন্তু শুধু তোমার লেখাপড়ায় যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সেই কথা ভেবে আমার পক্ষের প্রায় সকল আত্মীয়ের সাথে সম্পর্ক শিথিল করে ফেলেছিলাম। তোমার মা তোমার নানা-নানীর একমাত্র মেয়ে হয়েও তাদের থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল শুধু তোমার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের চিন্তায়। আমি এবং তোমার মা-আমাদের উদ্দেশ্যে সফল হয়েছি। দেশের মাত্র কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির নাম যদি উচ্চারিত হয় তবে সেখানে আমাদের সোনমানিকের নামটিও উচ্চারিত হয়। এটা কি আমাদের কম আনন্দের-কম পাওয়া। এত হিসেব করে তোমাকে মানুষের মত মানুষ করা এই বৃদ্ধ যদি আজ আমার দাদুভাইদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের অন্তরায় ঘটায় তবে সেটা বেমানান বটে!
এখানে যে ছেলেটা আমাদের দেখাশুনা করে সে ছেলেটার মত ছেলে খুব কম দেখা যায়। ওর সম্পর্কে বললে তোমার মনে হবে এই জগতেও এমন বোকা ছেলে আছে! সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা কিংবা গভীর রাতে মিষ্টি হেসে জিজ্ঞাসা করে, কাকা! কিছু লাগবে? ওর আচরণে তোমার অনুপস্থিতিতে বুকের মধ্যের শূন্যতা কেমন যেন পূণ্য হয়ে যায়। ছেলেটা খুব গরীব। দিনরাত পরিশ্রম করে এখান থেকে যা মাইনে পায় তা দিয়েই ওর বাবা-মা এবং স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে চলতে হয়। আমি মনোযোগ দিয়ে ওর কষ্টের কথা শুনি; আমার মত অক্ষম-অলসের এর বাইরে তো আর কোন কাজ থাকে না। আমার ইচ্ছা হয় ওকে কিছু বাড়তি টাকা দেই। কিন্তু আমার সে সাধ্য তো নাই। ছেলেটাকে বলেছিলাম ওর বাবা-মাকে এই বৃদ্ধাশ্রমে নিয়ে আসতে। এ কথাশুনে ছেলেটা হাউমাউ করে কেঁদে দিয়ে বলেছে, রক্ত বিক্রি করে হলেও বাবা-মাকে নিজের কাছে রাখবে; কোনদিন বৃদ্ধাশ্রমে দিবে না। ছেলেটার কথা শুনে ভেতরটা হঠাৎ মুচড়ে গিয়েছিল কিন্তু ক্ষণিক পরেই বুঝলাম আমি হয়ত আবেগাপ্লুত হয়ে যাচ্ছি! তাই এ নিয়ে আর ও ছেলেটার কাছে কিছু বলতে যাইনি। অল্পশিক্ষিত একটি ছেলে তার বাবা-মাকে নিয়ে যা ভাবছে সেটা কেবল আবেগের কথা! তোমরা যারা উচ্চশিক্ষিত তারা আবেগকে প্রশ্রয় দিবে কেন?
আব্বু! আগামী বার আমাকে যদি দেখতে আসো তবে আমার কলিজারটুকরো প্রাণপ্রিয় দাদুভাইদের নিয়ে এসো। আমি দেখতে চেয়েছি শুনলে ওরা আসতে চাইবে। বউমাকে এতদূর আনার দরকার নাই। মামনী আমার গরম সহ্য করতে পারে না। জানি দাদুভাইদেরও কষ্ট হবে। কিন্তু জীবনে এই শেষবার। আর কোনদিন ওদের দেখতে চাইবো না বলে নিশ্চয়তা দিতে পারছি না কেননা দিন যত সামনে এগুচ্ছে ততোই আমার আচরণগুলো শিশুদের মত হয়ে যাচ্ছে। পরবর্তীতে যদি কখনো দাদুভাই কিংবা বউমাকে দেখতে চাই তবে সেটা আমার শিশু সূলভ খামখেয়ালী ভেবে মূল্যায়নের বাইরে রেখো। আসার সময় বাসা থেকে কিছু রেঁধে আনবে না। এখানে যে খাবার দেয় তার তুলনায় বাসার খাবারগুলো অনেক খারাপ!
অনেক কথাই লেখার ছিল কিন্তু আর কিছুই লিখতে পারলাম না। কোথা থেকে একটা অন্ধ পোকা এসে আমার চোখের মধ্যে ঢুকে পড়লো! কিছুটা যন্ত্রনাও হচ্ছে বটে। অক্ষমবাবাকে ক্ষমা করো। তোমার সন্তানদের জন্য তুমি যেন আমার মত অক্ষম বাবা না হও তার চেষ্টা করো। কয়েকদিন হল তোমার মা আমায় খুব জ্বালাচ্ছে। তাকে হারানোর ১৫ বছর পর এমনটা কেন ঘটছে তা বুঝতে পারছি না। স্বপ্নে সে কেবল ডেকেই যাচ্ছে। আমার আরও অনেকদিন বাঁচতে ইচ্ছা করে এবং বৃদ্ধাশ্রমের খালি ঘরগুলোতে কারা আমার বন্ধু হয় তা দেখতে সাধ হয় কিন্তু সে সৌভাগ্য আমার হবে না বোধহয়! আমি মারা যাওয়ার পর, তোর মায়ের পাশেই আমাকে কবর দিও। এতে কিছুটা যায়গা নষ্ট হবে ঠিক কিন্তু তোমার মাকে ছেড়ে আমি দূরে থাকতে পারবো না। আমার এ আব্দারটুকু রেখো। রাখবে তো? আমায় ক্ষমা করে দিও।

Saturday, April 30, 2016

হরিণছানাকে নিজের স্তন্যদুগ্ধ পান করান এক মা!

বিশ্বাস করেন আর নাই করেন, মানুষ ইচ্ছা করলে এমন  ভাল কাজ  ও করতে পারে যা আমি অথবা আপনি কল্পনা ও করতে পারি না। ঠিক এমনই একটি অকল্পনীয় কাজ করেছেন  ভারতের এক মা।তাও আবার করছেন একটি হরিণ শিশুর জন্যে।

"হ্যাঁ, আমি হরিণছানাকে স্তন্যপান  করাই।কারণ ওরাও তো আমার ছেলেমেয়ের মতই"। এ কথাগুলি বলছেন সেই মা,নাম বিষ্ণোই  দেবী।বয়স ৪৫.
ভারতের রাজস্থানের ৫৫০ বছরের প্রাচীন জনজাতি বিষ্ণোই ।প্রায় ২০০০ পরিবার বিষ্ণোই জনজাতির অন্তর্ভুক্ত। প্রকৃতিকে তাঁরা দেবজ্ঞানে পুজো করেন।    আর সেই প্রকৃতির সন্তান হল হরিনশিশুরা।ভীত হরিণ শিশুদের  তাই পরম মমতায় কোলে তুলে নেন  মায়েরা । আর এমন মায়ের ভাষাও বুঝেন  হরিন শিশুরা।২১ বছরের রোশিনী  বিষ্ণোই বলেনছোট ছোট হরিণ শিশুর সাথে খেলতে খেলতে আমি বড় হয়েিছ।

Friday, April 29, 2016

A woman gave birth to tree consecutive years on the same date tree children!

A women from Lahor Pakistan,has given birth to tree children in London for tree consecutive years on the same date.The woman's name is Naim Salome.

Naim Salome gave birth to three children 25,November 2012,25, November 2013 and 25,November 2014.This incredible event created a sensation all over the world.Naim salome had appealed the matter to the Guinness Book record.

http://mwondernews.blogspot.com/2016/03/two-kilograms-of-hair-inside-girls.html

 But the authorities has refused the matter.They  said that  that this issue does not include any type of record and it does not record any of the department.


Wednesday, April 27, 2016

পরপর তিন বছর একই তারিখে এক মহিলা জন্ম দিলেন তিন সন্তান!


পাকিস্তানের লাহোর শহরের এক মহিলা লন্ডনে পরপর  তিন বছরে একই তারিখে
তিনটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।লাহোরের বাসিন্দা এই মহিলার নাম নাঈম সেলমি।
নাঈম সেলমি পরপর তিনটি সন্তানের জন্মদেন ২৫ নভেম্বর ২০১২,২৫নভেম্বর ২০১৩ এবং ২৫নভেম্বর ২০১৪।এই অবিশ্বাস্য ঘটনা সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে।মহিলা তার ধারাবাহিক একই তারিখে তিনটি সন্তান জন্ম দেওয়ার বিষয়টি রেকর্ড  হিসাবে স্বীকৃতি পাওয়ার জন্যে গিনেস বুক কর্তৃপক্ষকে জানিয়াছে।গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ  বিষয়টি রেকর্ড হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করনতে অস্বীকৃতি জানিয়াছে।তারা বলেন  এই বিষয়টি কোন প্রকার রেকর্ডের অন্তর্ভুক্ত নয় এবং এটা রেকর্ডের কোন বিভাগেই পড়ে না।