Thursday, February 25, 2016

Enjoy the taste of death before his death!

Many may be surprised to hear the title.However,just such a strange ritual was held in Tokyo,Japan.where a dead person is shown how to prepare farewell by a living person.In short,one death ,what kind of dress will be made to wear,how it will be sorted,how her last goodbye to everyone and everything will be shown.The biggest advantage of this event,participants can choose their funeral outfit,put it on,slip into the flower-filled casket they like and have a picture taken.Thus a living person get to know exactly what he or she will look like on the day their funeral.A living person can applied funeral makeup on face for a deathly pallor.
The Japanese said the event" Shukatsu Festa".Shukatsu means preparing for the end of life.

In recent years,this event is becoming quite popular in japan.In 2014, 50 coffin companies(Japanese) took part in the event.This year's event in Tokyo attracted over 5,000 visitors.Through this program,companies promote their products work.

Saturday, February 20, 2016

মৃত্যুর আগে মৃত্যুর স্বাদ উপভোগ!

শিরোনামটি শুনে হয়তো  অনেকেই অবাক হয়েছেন।তবে জাপানের টোকিওতে  ঠিকই এমনই এক আজব অনুষ্ঠান হয় যেখানে  একজন মৃত্যু ব্যক্তিকে কিভাবে প্রস্তুত করে
শেষ বিদায় দেওয়া হয় তা একজন জীবিত লোকের মাধ্যমে দেখানো হয়।অর্থাৎ মৃত্যুর পর মৃত্যু ব্যক্তিকে কি ধরনের পোষাক পরিধান করানো হবে,কিভাবে তাকে  সাজানো হবে তার কপিনটা কেমন হবে, আত্মীয়  স্বজনরা কিভাবে তাকে শেষ বিদায় দিবে।মোট কথা মৃত্যু ব্যক্তির অন্তেষ্টিক্রিয়ার সমস্ত কার্যবলী  একজন জীবিত  ব্যক্তি দ্বারা দেখানো হয়।এই অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল একজন জীবিত ব্যক্তি  মৃত্যুর পোষাক পরে, মৃত্যুর সাজে সজ্জিত হয়ে,ফুল সজ্জিত কপিনে শুয়ে নিজর ছবি তুলতে পারবে এবং এই অবস্থায়  চক্ষু বন্ধ করে মরা মানুষের মত নিজেকে ভাবলে তার অনুভূতি কেমন হবে তা উপলব্দি করতে পারবে।ইহা ছাড়া,কোন ধরনের পোষাকে, কোন ধরনের মেকাপ, কোন ধরনের কপিন একজন ব্যক্তিকে ভাল মানাবে তা  ঐ ব্যক্তি যাচাই করতে পারবে।সাথে সাথে নিজের পছন্দ মত জিনিস ও ঠিক করে যেতে পারবো।


জাপানিরা এই অনুষ্ঠানকে  বলেন  শাকাতুস ফেসতা।শাকাতুস এর বাংলা অর্থ জীবনের শেষ প্রস্তুতি।

সাম্প্রতিক  বছরগুলিতে এই অনুষ্ঠানটি জাপানে বেশ জনপ্রিয় হয় উঠছে।২০১৪ সালে জাপানের ৫০টি কপিন কোম্পানি  এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেছিলএবং হাজার হাজার আগন্তুক  ওএসেছিল।এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কপিন কোম্পানিগুলো তাদের পন্যের প্রচার কাজটি  করে ফেলেন।

Sunday, January 31, 2016

শত্রুর বাড়ীতে মল বা বিস্টা পাঠান ওয়েব সাইটে?

Sweet Revenge! BY Gag Gift
বিশ্বাস  করেন আর নাই করেন, এমন ও ওয়েব সাইট  আছে, যে ওয়েব সাইটের মাধ্যমে আপনি ইচ্চা করলে আপনার শত্রু বা অন্য কারো বাড়ীতে পশুর মল পাঠাতে পারেন।
আর আজব এই ওয়েব সাইটটির নাম ShitSenders.com। এই ওয়েব সাইটের মাধ্যমে আপনি আপনার পুরাতন  ছেলে বন্ধু অথবা মেয়ে বন্ধু,আগের স্ত্রী বা স্বামী এবং শত্রু মোট কথা যারা আপনার প্রিয় না বরং শত্রু টাইপের তাদের কাছে মল পাঠাতে পারবেন।প্রথমে আপনাকে ওয়েব সাইটটির ওর্ডার page  গিয়ে  কোন পশুর মল বা বিস্টা, কি পরিমান বিস্টা পাঠাতে চান তা জানাতে হবে।এবং কার কাছে পাঠাতে চান তার ঠিকানা সহ  তা উল্লখ করতে হবে। তারপর তিন দিনের মধ্য উল্লেখিত ঠিকানায় প্যাকেট আকারে ঐ বিস্টা প্রাপকের ঠিকানায় চলে যাবে

Tuesday, January 19, 2016

শিক্ষক,নিজের দেহ দিয়ে বায়োলজি শিক্ষা দেন!

যদিও টাইটেল পড়ে অবাক হয়েছেন তবুও বলব খবরটি আসলেই সত্য।নেদারল্যান্ডের গ্রোনি হাইস্কূলের বায়োলজি বা জীববিদ্যা বিভাগের শিক্ষিকা ডেবি হিকেস্নএই আজব পদ্ধতিতেনিজের শরীর দিয়ে ছাত্র -ছাত্রীদের বায়েলজি সাবজেক্টটি পড়ান।
তিনি যখন জীববিদ্যার হিউমান অ্যানাটমি অধ্যায় পড়ান তখন ক্লাশের টেবিলের উপরে উঠে একটা একটা করে নিজের শরীরের উধাংশ ওনিম্নাংশের পোশাক খুলে ফেলেন আর তার পোশাকের নিচে একটি স্কিনটাইট বডি স্যূট পরা থাকে।এই বডিস্যূট এ আঁকা থাকে মানব দেহের বিভিন্ন অংগ প্রত্যংগ, শিরা উপশিরা  সহ মানব দেহের যাবতীয় অংশের ছবি আর এই ছবি দেখিয়ে মানব দেহের প্রতিটি অংশের ব্যাখ্যা দেন।তার মতে পুঁথিগত বিদ্যা থেকে হাতে কলমে শিক্ষা, শিক্ষাথীদের বেশি উপকার হয়।এই পদ্ধতিতে শিক্ষা দিলে সম্পূন  বিষয়টি ছাত্র ছাত্রীরা অতি সহজেই বুঝতে পারেন এবং বিষয়টি ছাত্র ছাত্রীদের  মাথায় ছবির মত ভেসে উঠে। আর ছাত্র ছাত্রীরা বিষয়টি দীর্ঘ দিন ধরে মনে রাখতে পারেন। এই অদ্ভুত পদ্ধতিতে পাঠ দানের জন্যে ডেবি হিকেস্ন ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট খুবই জনপ্রিয়।

Monday, January 4, 2016

আত্নাহত্যা করতে গিয়ে পেলেন ১৭হাজার ইউরো!

ইউরোেপর দেশ অস্টিৃয়ায় এ অদ্ভুত ঘটনাটি ঘটেছে।সেখানে এক লোক আত্নহত্যা করতে চেস্টা করেিছল।ঘটনার দিন লোকটি দানিয়ুব নদীর তীরে কিছু সময় দাড়িয়ে ছিলেন।আআশেপাশের লোকজন তার হাবভাব  দেেখ সন্দেহ করলেন লোকটি  ভয়ংকর কিছু করতে যাচ্ছে।কিন্তু লোকজন বাধা দেওয়ার আগেই লোকটি নদীতে ঝাঁপ দিলেন।ইতিমধ্যে পুলিশ লোকটিকে উদ্ধার করতে গিয়ে দেখতে পেল যে নদীতে হাজার হাজার ইউরো নোট   ভাসছে।পুলিশ এই অবস্থা দেখে লোকটিকে তো উদ্ধার করলেনই তার সাথে সাথেঐ ইউরো নোট গুলোও উদ্ধার করলেন।উদ্ধারকৃত নোট গুলোর মূল্য ১৭ লাখ ইউরো।যার বাংলাদেশী মুদ্রায় ১কো৭০ লাখ টাকা।পুলিশ নোটের মালিকের সন্ধান পায়নি।এদিকে উদ্ধার হওয়া লোকটি ইউরো নোট দেখে খুব খুশি হল কারন ঐ দেশের আইন অনুযায়ী হারানো নোটের মালিকের সন্ধান না পাওয়া গেলে ঐ নোটের মালিক হবেন তিনি যিনি ঐ নোট কুড়িয়ে পেয়েছেন।তাই পুলিশ উদ্ধার হওয়া নোটের ১০% লোকটিকে দিয়ে দিলেন।


আল্লাহ  অসীম দয়াবান জন্ম, মৃত্যু, রিযিক সব কিছু তারই হাতে।লোকটি মরার জন্য গিয়েও মরলোনা বরং
লোকটি অনেক টাকার মালিক হলেন।এ সব কিছু আল্লাহর ইশারায় হয়।